বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬,

তারেক রহমানই হচ্ছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী: মির্জা ফখরুল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম

তারেক রহমানই হচ্ছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী: মির্জা ফখরুল

তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর বাংলাদেশের আগামীর নেতৃত্ব নিয়ে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটালেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি। 

সংবাদ সম্মেলনে মঞ্চে খোদ তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর এটিই ছিল দলটির পক্ষ থেকে প্রথম আনুষ্ঠানিক বিজয়োত্তর সংবাদ সম্মেলন।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বক্তব্যে বলেন,তারেক রহমানই হচ্ছেন আমাদের এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী। 

তিনি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন।বিএনপি মহাসচিব আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১৭ বছরের দীর্ঘ লড়াই ও নির্বাসিত জীবন শেষে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন এবং জনগণের রায় প্রমাণ করেছে যে দেশের মানুষ তার নেতৃত্বের ওপর কতটা আস্থাশীল। তিনি বলেন, ১৮ কোটি মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ এবং এই বিজয় মূলত উদারপন্থী গণতন্ত্রের বিজয়।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী:

বিএনপি: ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

জামায়াতে ইসলামী: ৬৮টি আসনে জয় পেয়ে সংসদে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

অন্যান্য: জোটের শরিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রায় সকল জ্যেষ্ঠ নেতা উপস্থিত ছিলেন। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মতো নেতাদের উপস্থিতিতে পুরো বলরুমে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি এমন ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করল।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করার মাধ্যমে বিএনপি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার বার্তা দিল। এখন কেবল গেজেট প্রকাশ ও শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতার অপেক্ষা।