জুলাই ১০, ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম
মিশরের বিপক্ষে ম্যাচে দুই গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের শেষ বিশ মিনিটে লিওনেল মেসির অবিশ্বাস্য ফুটবলে পাল্টে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। অধিকাংশ আলোচনায় রেফারির সিদ্ধান্ত ও বিতর্কিত মুহূর্তগুলো স্থান পেলেও, মেসির সেই শেষ বিশ মিনিটের পারফরম্যান্স ছিল তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা।দুই গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর মেসি তার সতীর্থদের শান্ত থাকার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
ম্যাচটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মেসি শুরুতে সেন্ট্রাল পজিশন থেকে খেলা পরিচালনা করলেও শেষ ভাগে তিনি ডানদিকের উইং পজিশনে চলে যান। অনেকটা আনহেল ডি মারিয়ার ভূমিকার মতো করে তিনি ওয়াইড স্পেস তৈরি করেন এবং ক্রসিংয়ের ওপর গুরুত্ব বাড়ান। পেনাল্টি বক্সের ভেতরে থাকা সতীর্থদের জন্য বলের যোগান নিশ্চিত করতে তিনি নিজের খেলার কৌশল পুরোপুরি বদলে ফেলেন।
আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলটির বিল্ড-আপে মেসির অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতা ছিল স্পষ্ট। সতীর্থদের পাস না দিয়ে লাউতারো মার্টিনেজকে বল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ছিল এক অসাধারণ অ্যান্টিসিশন বা দূরদর্শিতা। সতীর্থরাও মেসিকে ফ্রি স্পেস দেওয়ার জন্য মাঠের বিভিন্ন প্রান্তে পজিশন নিয়েছিলেন। মন্টিয়েল, এনজো, আলভারেজ এবং কুতি রোমেরোর মতো খেলোয়াড়রা মিশরের ডিফেন্ডারদের ব্যস্ত রেখে মেসির জন্য প্রশস্ত পথ তৈরি করে দিয়েছিলেন।
ম্যাচটিতে রেফারি ও ভিএআর নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, দিনশেষে মেসির গোল এবং তার পারফরম্যান্সই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হলেও ম্যাকলিস্টারের ফাউল নিয়ে বিতর্ক থেকে গেছে। তবে সেসব ছাপিয়ে মেসির শেষ বিশ মিনিটের ফুটবল শৈলী ছিল অনবদ্য। এই ম্যাচটি মূলত দেখিয়ে দিয়েছে, দলগত সমন্বয় এবং মেসির একক কারিশমা কীভাবে একটি কঠিন পরিস্থিতি থেকে জয় ছিনিয়ে আনতে পারে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন