জুন ৫, ২০২৬, ১১:১২ পিএম
কুড়িগ্রামে লাভজনক সুপারি চাষ করে চার ভাই বছরে প্রায় কোটি টাকা আয় করছেন। দাদার শুরু করা তিন একরের বাগানটি এখন চাচা ও ভাতিজারা মিলে প্রায় ২০ একরে রূপান্তর করেছেন। সুপারি বিক্রির পাশাপাশি সাথী ফসল থেকেও প্রতি বছর বড় অঙ্কের উপার্জন আসছে।
বাগানে এখন গাছের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।
এই বিশাল বাগান থেকে বছরে শুধু সুপারি বিক্রি করেই আয় হয় ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকা। গাছের ছায়ায় সাথী ফসল হিসেবে চাষ করা হচ্ছে লটকন, চুইঝাল ও গাছপান। এসব অনুষঙ্গী ফসল বিক্রি করে প্রতি বছর আরও আট থেকে ১০ লাখ টাকা ঘরে তুলছেন তারা। কম পরিশ্রমে এবং অল্প সময়ে এমন সমন্বিত সুপারি চাষ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় আট থেকে ১০ জন শ্রমিকের স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি সম্ভব হয়েছে। তারা প্রতিদিন ভোর থেকে বাগানের পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, রংপুর অঞ্চলের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলায় সবচেয়ে বেশি সুপারি চাষ হয়। অল্প খরচে লাভজনক হওয়ায় অনেকেই নতুন করে সুপারি চাষ শুরু করছেন। বর্তমানে জেলার প্রায় ১ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে এই ফসলের মোট উৎপাদন প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন