আগস্ট ২২, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম
আকর্ষণীয় রঙ ও চমৎকার স্বাদের কারণে ড্রাগন ফল বর্তমান সময়ে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এই ফল অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, খাদ্য আঁশ, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে এই ফল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। তবে পুষ্টিকর হলেও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় এই ফল সবার জন্য সমান উপকারী নয়।
পরিমিত মাত্রায় খাওয়া নিশ্চিত করাই এর প্রধান শর্ত।এক কাপ বা প্রায় ২২৫ গ্রাম ড্রাগন ফলে তুলনামূলক কম ক্যালরি থাকে এবং পানির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য এর খাদ্য আঁশ বেশ কার্যকর। এছাড়া কম ক্যালরির কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগ্রহীদের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যায়। গর্ভবতী নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রেও এটি শরীরের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে।
কিছু শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ড্রাগন ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত। এই ফলে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি থাকায় যাঁদের কিডনি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি খাওয়া নিরাপদ নয়। এছাড়া যাদের রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম থাকে বা যারা রক্তচাপের নিয়মিত ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গ্রহণ এড়িয়ে চলাই ভালো। কোনো ধরনের খাবারে অ্যালার্জি থাকলে বা ফল খাওয়ার পর পেটে অস্বস্তি দেখা দিলে তা বাদ দিতে হবে।
ড্রাগন ফল ডায়াবেটিস বা রক্তশূন্যতা পুরোপুরি দূর করতে পারে—এমন দাবির কোনো সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য দিনে একটি মাঝারি আকারের ফল বা এক কাপ টুকরো ফল খাওয়াই পুষ্টির জন্য যথেষ্ট।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন