মে ২৬, ২০২৬, ১২:০৮ এএম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনায় অনিশ্চয়তা কাটছে না। ওয়াশিংটন ও তেহরান একে অপরের বিপরীতমুখী অবস্থান নেওয়ায় চুক্তির চূড়ান্ত রূপরেখা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শান্তি চুক্তির অনুমোদনের জন্য আরও কয়েক দিন প্রয়োজন হতে পারে।
সম্ভাব্য চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৫ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ ডলারে নেমে এসেছে।
যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় দাম এখনও ৩০ শতাংশ বেশি থাকলেও, এই পতন বিনিয়োগকারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনছে। হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই বাজারে এই প্রভাব পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে এই চুক্তিকে দেখা হলেও, পারমাণবিক ইস্যুতে ইরান এখনও বড় ধরনের কোনো ছাড় দেয়নি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিস্তারিত আলোচনা এখনও শেষ হয়নি।সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চুক্তিটি যথাযথ না হলে তিনি কোনো সমঝোতায় যাবেন না। অন্যদিকে, তেহরান বলছে বেশিরভাগ বিষয়ে ঐকমত্য হলেও চূড়ান্ত স্বাক্ষরের সময় আসেনি।
লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ইসরায়েলের উদ্বেগ এই শান্তি প্রক্রিয়ার কার্যকারিতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ভূ-রাজনৈতিক এই উত্তেজনার মাঝে চীনের ভূমিকা ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক তৎপরতা এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।তেলের দামের ওঠানামা মূলত এই কূটনৈতিক আলোচনার সাফল্যের ওপরই নির্ভর করছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন