রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬,

ভারত খুনি রাষ্ট্র, বিএসএফ খুনি বাহিনী: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক

জুন ৩, ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম

ভারত খুনি রাষ্ট্র, বিএসএফ খুনি বাহিনী: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ছবি-দিনাজপুর টিভি

জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি-এর প্রধান বা মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে এক খুনি রাষ্ট্র এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে খুনি বাহিনী বলে তীব্র মন্তব্য করেছেন। বুধবার যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলের ঐতিহ্যবাহী সাদীপুর সীমান্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমের সামনে তিনি এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। 

সীমান্ত হত্যা এবং রাতের আঁধারে পুশ-ইনের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বন্ধে বর্তমান সরকারের আরও কঠোর আইনি ও বা কূটনৈতিক অবস্থান নেওয়ার জোর দাবি জানান এই নেতা।সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতিবেশীদের যেকোনো আগ্রাসী নীতি রুখে দেওয়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান শর্ত।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্পষ্ট করে বলেন যে ভারতের পক্ষ থেকে যদি কোনো নাগরিককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর আইনি প্রয়োজন হয়, তবে তা অবশ্যই দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করতে হবে। 

কিন্তু রাতের অন্ধকারে আন্তর্জাতিক সীমান্তের জিরো লাইনে জোরপূর্বক সাধারণ মানুষকে ফেলে রেখে যাওয়ার ভারতীয় এই বর্বরোচিত কৌশল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন যে সীমান্তের ওপারে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে আরও অসংখ্য মানুষকে অন্যায়ভাবে জড়ো করা হয়েছে বলে তাঁদের নিকট সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে।সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলোর সাধারণ মানুষের মাঝে তৈরি হওয়া চরম নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ দূর করতে সীমান্ত পাহারা আরও জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।

এনসিপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় স্থানীয়বাসীকে বিজিবি ও পুলিশকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন যে সীমান্তে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশীদের নির্মমভাবে হত্যার দায়ে ভারতের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক আদালতে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা উচিত। উল্লেখ্য যে গত দুই দিন ধরে সাদীপুর সীমান্তের জিরো লাইনে অন্তত ১০ থেকে ১২ জন নারী, পুরুষ ও শিশু অবরুদ্ধ অবস্থায় অবস্থান করলেও বুধবার সকাল থেকে বিএসএফ তাদের অলক্ষ্যে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।