নভেম্বর ১, ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–অক্টোবর) দেশের পণ্য রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি।
রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রপ্তানি বাণিজ্যের এই হালনাগাদ তথ্য জানানো হয়। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার।
রপ্তানির এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে তৈরি পোশাক খাত।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য চার মাসে নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানি ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে ওভেন পোশাকের রপ্তানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ০০ বিলিয়ন ডলার। দেশের মোট রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাকের এই দুই উপ-খাতের অংশ প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। এছাড়া সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে।
তৈরি পোশাকের পাশাপাশি একাধিক অপ্রচলিত ও ঐতিহ্যবাহী পণ্য খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
তথ্যমতে, পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যার আর্থিক পরিমাণ ৩৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি ১২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ কোটি ৪০ লাখ ডলারে এবং রাসায়নিক পণ্যের রপ্তানি ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এর বাইরে হোম টেক্সটাইল খাতে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও পাদুকা শিল্পে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।
তবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে রপ্তানি কমেছে।
হিসাব অনুযায়ী, কৃষি পণ্যের রপ্তানি ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ রপ্তানি ১০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্য রপ্তানি ১০ দশমিক ২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সামগ্রিক ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকের বাইরের বেশ কিছু খাতের সম্প্রসারণ দেশের বাণিজ্য সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই ধারা টেকসই করতে পণ্যের গুণগত মান ও আন্তর্জাতিক বাজারে সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং পিছিয়ে থাকা খাতগুলোর সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংস্থাটি।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন