শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬,

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ১৯, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে নতুন আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এই ধরণের প্রযুক্তিগত জালিয়াতি বা ফলাফলে অবৈধ পরিবর্তনের অপরাধে কারাদণ্ডের পাশাপাশি বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে। প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে পরীক্ষার নিখুঁত মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে সরকার এই যুগান্তকারী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের দশম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর আইনি সিদ্ধান্তের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয় যে মূলত দেশের পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ তৈরি এবং বিভিন্ন অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে ১৯৮০ সালের মূল আইনটি প্রণীত হয়েছিল। 

কিন্তু বর্তমানে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অপরাধের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পুরনো আইনটি সংশোধন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল। নতুন সংশোধিত এই আইনে ডিজিটাল জালিয়াতির জন্য যেমন শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে তেমনি কোনো সংগঠিত চক্র বা পরীক্ষা জালিয়াতি দল গঠন করলেও কঠোর শাস্তির বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে এই সময়োপযোগী বিশেষ সংশোধনী প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হয়। এর ফলে দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা ডিজিটাল মাধ্যমে পরীক্ষাসংক্রান্ত যেকোনো জালিয়াতি প্রতিরোধ করা রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও সহজ হবে।