বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জাঙ্কফুড নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহর উদ্বেগ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ১৭, ২০২৬, ০৫:০০ পিএম

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জাঙ্কফুড নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহর উদ্বেগ

ফাস্টফুড ও কোমল পানীয়

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও কোমল পানীয়ের ব্যাপক বিস্তার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। গতকাল শনিবার (১৬ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই উদ্বেগ জানান। লিভার সিরোসিস, কিডনি ড্যামেজ ও ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও এই ক্ষতিকর প্রবণতা কোনোভাবেই কমছে না।

মানুষ এখনো দিন দিন এসব অস্বাস্থ্যকর ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের দিকেই বেশি ঝুঁকে পড়ছে।শায়খ আহমাদুল্লাহ তাঁর স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশের শহর থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ফাস্টফুডের দোকান, ফুডকোর্ট ও রেস্টুরেন্টের সংখ্যা বাড়ছে। 

ঘরের পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবারের পরিবর্তে বাইরের এসব অনিয়ন্ত্রিত খাবার এখন সাধারণ মানুষের কাছে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এমনকি মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের ছুটির দিনের বিনোদনও এখন পুরোপুরি রেস্টুরেন্টকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

সাধারণ মুদি দোকান ও কনফেকশনারিগুলোতেও এখন খুব সহজলভ্য করে রাখা হচ্ছে কোমল পানীয় ও চিপসজাতীয় পণ্য, যা শিশু-কিশোরদের এই ক্ষতিকর অভ্যাসের দিকে আরও বেশি উৎসাহিত করছে।দেশে ইতিমধ্যে কিডনি রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে ডায়ালাইসিসের জন্য সহজে কোনো খালি স্লট পাওয়া যায় না। অথচ দেশের মানুষ দেশি মৌসুমি ফলমূল খাওয়ার পরিবর্তে কোমল পানীয় ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতিই বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। 

স্বাধীনতার পাঁচ দশক পার হলেও দেশের সর্বস্তরের জনগণের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন। মানুষের এই শরীর আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পবিত্র আমানত এবং রসনাবিলাসী জীবন থেকে বেরিয়ে এসে প্রত্যেকেরই সচেতন খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।