বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬,

পর্নো ভিডিও বানানো সুমাইয়াকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম

পর্নো ভিডিও বানানো সুমাইয়াকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ছবি : সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অবাধ ব্যবহার এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি ও বাণিজ্যিকভাবে সরবরাহের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত সাইবার মনিটরিং ও প্রযুক্তিগত নজরদারি চালিয়ে আসছে। 

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এমনই এক বিশেষ অভিযানে ভার্চুয়াল জগতে পর্নোগ্রাফি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের মূলহোতাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ভিডিও তৈরি, প্রচার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ নামক এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।বুধবার ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ সূত্রে জানা গেছে যে গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় অভিযুক্তদের সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলো চিহ্নিত করা হয়। 

গ্রাহকদের কাছে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহের মাধ্যমে বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে তারা অর্থ লেনদেন করত এবং তিন হাজার পাঁচশো টাকায় আজীবন বা লাইফটাইম প্যাকেজ দেওয়ার চটকদার প্রচার চালাত। পরবর্তী সময়ে প্রযুক্তির সাহায্যে সুনির্দিষ্ট অবস্থান শনাক্ত করে রাজধানীর ভাটারা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে আটক করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকা থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রায় ছয় মাস ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।পুলিশ জানিয়েছে যে সুমাইয়ার ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টগুলোতে প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে এবং তার বাবা মো. আবু সাঈদ মেয়ের এই অবৈধ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জেনেও তা থেকে অর্জিত অর্থ গ্রহণ করায় তাকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। 

এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। চক্রটির সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা উদঘাটনের জন্য গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।