রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও বিধান কী

জাতীয় ডেস্ক

জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও বিধান কী

ছবি - সংগৃহীত

বাংলাদেশের বাইশতম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জন এবং এর পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে শারীরিক অসুস্থতা কিংবা সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি নির্ধারিত পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করতে পারেন। 

সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপের কথা না বললেও সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কী হবে, তা নিয়ে জনমনে ও বিশেষজ্ঞদের মাঝে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের নিয়ম রয়েছে।সংবিধান বিশেষজ্ঞরা জানান, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে তাকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র জমা দিতে হবে। 

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিকের মতে, পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে পৌঁছানোর মুহূর্ত থেকেই তা কার্যকর বলে গণ্য হয় এবং এটি গ্রহণ বা না করার কোনো সাংবিধানিক অবকাশ বা বিলম্বের সুযোগ নেই। নিয়ম অনুযায়ী, পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার অস্থায়ী বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর সর্বোচ্চ নব্বই দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ দুই হাজার আটাশ সালের এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারিত থাকলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও বিভিন্ন মহলের আলোচনার প্রেক্ষিতে এই সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।