রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬,

আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জামায়াতের

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ৩, ২০২৬, ০৮:৪৮ পিএম

আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জামায়াতের

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজারে কুষ্টিয়ার সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের ওপর একদল উচ্ছৃঙ্খল সন্ত্রাসীর বর্বরোচিত ও অনভিপ্রেত হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে এই ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। 

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিশেষ বিবৃতিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই জোর দাবি জানান।

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন চরম অবক্ষয় এবং জনপ্রতিনিধিদের পরিবারের ওপর প্রকাশ্য দিবালোকে হামলার ঘটনা সাধারণ নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তাকে এক বড় প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয় যে গত ১ জুন আসরের নামাজের সময় পরিবারসহ শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে হাসাদাহ বাজারে সংসদ সদস্যের গাড়িবহরের ওপর অতর্কিত ও পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়। এই হামলায় দৈনিক কালবেলার জীবননগর প্রতিনিধি ও এমপির শ্যালক আবু বক্কর এবং গাড়িচালক সাদ্দাম হোসেন মারাত্মক ও গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। এছাড়া গাড়িতে থাকা পরিবারের নারী সদস্যদের সঙ্গেও চরম অশোভন আচরণ ও গালমন্দ করা হয়েছে যা কোনো সভ্য বা গণতান্ত্রিক সমাজে কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।

সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী চিহ্নিত অপরাধীদের রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনা প্রশাসনের প্রধান সাংবিধানিক দায়িত্ব।অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে প্রকাশ্য দিবালোকে ওই এলাকার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক এবং তাঁর দুই ছেলে শাহরিয়ার ও রিমনসহ চিহ্নিত ব্যক্তিরা এই হামলা চালিয়েছে। 

চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত নেতা বলেন যে ঘটনার মূল হোতাদের অনতি গ্রেপ্তার করে কঠোর বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে তিনি এই হামলায় গুরুতর আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ শারীরিক সুস্থতা কামনা করেন এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় জননিরাপত্তা জোরদার করার তাগিদ দেন।