শুক্রবার, ০২ অক্টোবর, ২০২৬,

মেজর আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তারে কটিয়াদীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ২, ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম

মেজর আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তারে কটিয়াদীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবীন সদস্য এবং সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. আখতারুজ্জামান রঞ্জনের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার সহশ্রাম-ধুলদিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত গচিহাটা বাজারে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

গ্রেপ্তারের খবর স্থানীয় তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছানোর পরপরই দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ মিছিলটি গচিহাটা বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও অলিগলি প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে বাজারের প্রধান চত্বরে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সহশ্রাম-ধুলদিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আবু হানিফার সভাপতিত্বে এবং কটিয়াদী উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান শাহর সঞ্চালনায় এই প্রতিবাদ সভায় স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সভায় ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে বক্তব্য দিয়ে সংহতি জানান গচিহাটা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জিয়া উদ্দিন জীবন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. মানিক মিয়া। এ ছাড়া সমাবেশে ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহমান আরজু এবং মুফতি সফিউল্লাহসহ স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতারা সরাসরি অংশ নেন। প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে ডিবি পুলিশ কর্তৃক আটকের তীব্র নিন্দা জানান এবং অনতিবিলম্বে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান। একই সাথে বক্তারা স্পষ্ট করে বলেন যে তাঁর বিরুদ্ধে যদি সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, তবে তা কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মাধ্যমে না করে প্রচলিত আইনানুগ বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করতে হবে।

এর পূর্বে শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে রাজধানীর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে গোয়েন্দা পুলিশ বা ডিবি তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। ঢাকার এই আটকের খবর কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী অঞ্চলে জানাজানি হলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ও অসন্তোষ দেখা দেয়, যার প্রেক্ষিতে রাতেই বাজারে এই বিক্ষোভের সূচনা হয়। উক্ত কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ অংশ নেন।