শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬,

সীমান্তে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ রোধে বিজিবিকে কড়া নির্দেশ

জাতীয় ডেস্ক

মে ১৭, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম

সীমান্তে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ রোধে বিজিবিকে কড়া নির্দেশ

সীমান্ত দিয়ে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ রোধে বিজিবিসহ দেশের সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৭ মে) বগুড়ায় প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প আয়োজিত একটি বিশেষ সেমিনারে এই তথ্য জানানো হয়।

টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন: আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, বাজার সংযোগ ও ভ্যালু চেইন‍‍` শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

দেশীয় খামারিদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং স্থানীয় উৎপাদন ব্যবস্থাকে টেকসই করতেই মূলত সরকার এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে গবাদিপশুর উৎপাদন সক্ষমতা পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে কোরবানির পশুর অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরতার অবস্থানে পৌঁছেছে। 

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখের ওপর গবাদিপশু রয়েছে। যেখানে সম্ভাব্য কোরবানির চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে বলে জানানো হয়।বিপুল পরিমাণ পশু উদ্বৃত্ত থাকায় পার্শ্ববর্তী কোনো দেশ থেকে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ ও আমদানির আর কোনো প্রয়োজন নেই।দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উদ্বৃত্ত পশু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাতকে ভবিষ্যতে রপ্তানিমুখী শিল্পে পরিণত করার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। 

এর জন্য আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ উৎপাদন, প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্যসেবা এবং বাজার সংযোগ জোরদারের মাধ্যমে এ খাতকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এতে একদিকে খামারিরা তাদের উৎপাদিত পশুর ন্যায্যমূল্য পাবেন, অন্যদিকে সাধারণ ভোক্তারাও সহনীয় দামে কোরবানির পশু ক্রয়ের সুযোগ পাবেন।এই সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে প্রাণিসম্পদ খাতকে জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম শক্তিশালী খাতে রূপান্তরে সরকার কাজ করছে।