সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬,

দেশে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম

দেশে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল

দেশের জ্বালানি খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বড় আকারের ডিজেলের চালান দেশে এসে পৌঁছাচ্ছে। জানা গেছে, ১ লাখ ৪১ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে ৪টি জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকার দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরে ভিড়ছে। এই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি তেল খালাস সম্পন্ন হলে দেশের প্রায় ১২ দিনের অতিরিক্ত জ্বালানি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। 

শুক্রবার ১৭ এপ্রিল বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।বিপিসি বা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুত ছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন। 

নতুন আসা ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল খালাস শেষে দেশে তেলের মোট মজুত দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার টনে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই মজুত দিয়ে অন্তত ২৫ দিনের জাতীয় চাহিদা নিরবচ্ছিন্নভাবে মেটানো সম্ভব হবে। 

জ্বালানি সংকটের এই সময়ে তেলের এমন মজুত নিশ্চিত করাকে অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া সূচি অনুযায়ী, শুক্রবারই ৩টি তেলবাহী ট্যাংকার জেটিতে নোঙর করার কথা রয়েছে। এই জাহাজগুলোর নাম হলো এমটি ওকট্রি, এমটি কেপ বনি এবং এমটি লিয়ান সং হু। এছাড়া এমটি গোল্ডেন হরাইজন নামের চতুর্থ ট্যাংকারটি আগামী রোববার ১৯ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। জাহাজগুলো বন্দরে ভেড়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজার ও অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহ ঠিক রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে দেশে ডিজেলের মজুত কমে আসার তথ্য পাওয়া গেলেও নতুন এই আমদানির ফলে সেই সংকট আপাতত কেটে যাচ্ছে। বন্দর ও বিপিসি কর্মকর্তারা আশা করছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই তেলের বড় একটি অংশ দেশের বিভিন্ন ডিপোতে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে করে পরিবহন ও শিল্প খাতে ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।